সজলে শ্যামলে কদমতলা বর্মন পাহাড় ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে জুন মাসের জল হওয়ার অপেক্ষায়। পাহাড় মানুষের ক্যালেন্ডার জানে না, শুধু জল-বাতাস চেনে। পাহাড় জানে সব বৃষ্টি ভিন্ন রকমের গান। জারুল-ঝরা নিচু পাহাড়ে মৌসুমী বায়ু এসে হাজির হয় জল-বাতাস নিয়ে। এক বছরের অনন্ত অপেক্ষার শেষে পাথরের শ্যাওলা রং ধরে। আকাশ নেমে আসে পাহাড়ের রাস্তায়। মাটির গা বেয়ে নেমে আসে নব জলধারা। পাহাড় ভেজে। ঝর্না, পাথরকে পাশ কাটিয়ে নবজল নেমে আসে নদীর শরীরে। নদীর নাম হয় খরস্রোতা। সবুজ পাহাড় ঝাপসা হয়ে ওঠে ধীরে ধীরে। বাতাসের রং সবুজ হয় না। সমুদ্রের জলকণা শুষে বাতাস পাড়ি দেয় পাহাড়ের দেশে। ভারতের গোটা ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে এসে ধাক্কা দেয় পাহাড়ের খাঁজে। এটা ভূগোল বইয়ের কথা। কিন্তু ভূগোলের বাইরেই যে অনন্ত শ্যাওলা জমে থাকে পাহাড়ের গায়ে? মৌসুমী বায়ুর জলের ছোঁয়ায় পাতায় ধরে রং শ্যাওলা বাড়ায় তার সংসার। নদীর শব্দ বৃষ্টির শব্দ একাকার হয়ে যায় রাতের বৃষ্টিতে। শুরু হয় এক অলৌকিক সঙ্গীত। ঝর্না নদী গাছ পাথর বাজাতে থাকে বাদ্য, বৃষ্টি গান হয়ে ঝরে। মেঘ বৃষ্টি না কী মৌসুমী বাতাস পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসে পাহাড়তল বনতল সমতলে! সারা ব...
Comments
Post a Comment